শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৯ অপরাহ্ন

নোটিশ :

" দয়া নয় কর্ম চাই, বাঁচার মতো বাচতে চাই " *তারুণ্য মুক্তির ৭ দফা প্রস্তাবনা -

👉 সকল ধরনের বৈষম্যমুক্ত চাকুরী ও কর্মসংস্থানকে মৌলিক অধিকার হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিতে হবে। 👉 শিক্ষার সকল স্তরে চাহিদা ভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আইসিটি সেক্টরে তরুণদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। 👉 সকল প্রকার চাকরিতে আবেদন ফি, অবৈধ সুপারিশ, যেকোনো জামানত ও বয়সসীমা মুক্ত চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। ঘুষ ও দূর্নীতি মতো অসদুপায়ে নিয়োগের সকল প্রক্রিয়া বন্ধ এবং সরকারি ও বেসরকারি চাকরির বৈষম্য অবসান ঘটাতে হবে। 👉 স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণকেন্দ্র তৈরি এবং স্থানীয় উৎপাদন ব্যাবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। তরুণদের সম্পৃক্ত করে দেশের স্থানীয় উৎপাদিত পন্যের উৎপাদন ও আন্তজার্তিক বাজার ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। 👉 শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সনদ জামানতে সুদবিহীন ঋণ প্রদান , শিক্ষিত ও শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে ঝড়ে পড়াদের এই আওতায় আত্মকর্মসংস্থানের অগ্রাধিকার দিতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের দেশের মোট ঋণ প্রদানের ৫০% ঋণ প্রদান করতে হবে। কর্ম ও ঋণ আওতার বাইরে সকল তরুণদের বেকার ভাতা প্রদান করতে হবে। 👉 দেশের সকল প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে শতভাগ চাকরি ও কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে হবে। চাকরি ও কর্মসংস্থানের আওতার বাইরে থাকাদের উপযুক্ত পরিমাণ ভাতা প্রদান করতে হবে। 👉 বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে সরকারি ব্যাবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষিতদের রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে বা সুদমুক্ত ঋণসুবিধার আওতায় বিদেশে প্রেরণ করতে হবে। বিদেশে তরুণদের জন্য যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে অবাধ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে। তাদের দেশে অবস্থানরত পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রবাস গমনে তৃতীয় পক্ষের দৌড়াত্ব অবসান, প্রবাসে সকল চিকিৎসা, দেশের দূতাবাসগুলো প্রবাসী বান্ধব ও দূর্নীতিমুক্ত করতে হবে। প্রবাসীদের প্রবাসে থাকা অবস্থায় সকল জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে ভোট প্রদানের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশ প্রেরনের প্রতিটি স্তরে গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক (ভিআইপি) মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ শিরোনাম:
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা প্রবাসীদের উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ইং উপলক্ষে রিয়াদে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান; সৌদি আরব প্রবাসী বগুড়া জেলা বিএনপি’র উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত ; সৌদি আরব বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রিয়াদে বাংলাদেশ সরকারের সিআইপি সম্মাননা-২০২৬ অর্জনকারী “আব্দুল কাইয়ুম মির্জা” কে সংবর্ধনা প্রদান সৌদিতে বাংলাদেশী ব্যবসায়ী ইনভেস্টার নুর আলম নুর কে সংবর্ধনা ৫৫তম মহান বিজয় উপলক্ষে এনটিভি দর্শক ফোরাম ও সাংস্কৃতিক ফোরামের যৌথ আয়োজনে প্রবাস বিনোদন পর্ব-২৭ বগুড়া-৩ আসনে বিরল দৃষ্টান্ত! প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর মধ্যে ঘটে গেল এক বিষ্ময়কর ঐতিহাসিক ঘটনা!! সৌদি আরব জাকের পার্টির উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) ও জাকের পার্টির ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন।। সংবর্ধনা ও বিশেষ সাক্ষাৎকার অনষ্ঠান।। বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রিয়াদ সৌদি আরব পূর্বাঞ্চল যুব দলের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন।। বাথা, রিয়াদে বাংলাদেশী মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত বিশ্বমানের রেস্টুরেন্ট ইয়াসমিন হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের ক্যাম্পিং প্রচারণা বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরাম (বাপ্রসাফ) এর সাধারণ সভা ।। সৌদি আরবে নতুন কাউন্সিলর (হজ ) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন উপসচিব মো. কামরুল ইসলাম। সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ৮০তমজন্মদিন উপলক্ষ্যে সৌদি আরব প্রবাসী লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির  উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

রাজধানীতে আবাসিক হোটেলে পাওয়া মরদেহের শরীরে ও পায়ুপথে আঘাতের চিহ্ন!

রাজধানীর একটি আবাসিক হোটেল থেকে ১২ বছর বয়সী অজ্ঞাত পরিচয় এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

সোমবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সায়েদাবাদের আনোয়ারা আবাসিক হোটেলের পাঁচতলার একটি কক্ষ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত শিশুটির পরনে ছিল চেক শার্ট ও জিন্স প্যান্ট। মরদেহে ঘাড় মটকানোর ও শ্বাসরোধের চিহ্ন রয়েছে। এ ছাড়া তার চোখে ও পায়ুপথে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা শিশুটির ওপর যৌন সহিংসতার ইঙ্গিত দিতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বিষয়টি নিশ্চিত করে যাত্রাবাড়ী থানার এসআই মো. হাসান বশির গণমাধ্যমকে বলেন, গত ১২ জুলাই আল-আমিন নামে এক ব্যক্তি আনোয়ারা হোটেলের একটি কক্ষে ওঠেন। পরদিন ১৩ জুলাই বিকেলে একটি শিশুকে তিনি সঙ্গে করে রুমে আনেন এবং পরে রুমে রেখে বাইরে চলে যান। ওইদিন রাতে আর ফিরে আসেননি। তিনি আরও বলেন, ১৪ জুলাই বেলা ১১টার দিকে হোটেল কর্তৃপক্ষ আল-আমিনের অনুপস্থিতি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে এবং রুমে গিয়ে শিশুটির মরদেহ দেখতে পায়। পরে তারা বিষয়টি আমাদের জানায়। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পাঁচতলার ওই কক্ষের বিছানা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করি। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

এসআই হাসান বশির বলেন, আল-আমিন প্রায়ই এই হোটেলে অবস্থান করতেন বলে হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ড মনে হলেও তদন্ত সাপেক্ষে ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ServerNeed.com